হাকালুকির হাওরখাল বিলের মাছ লুটে স্থাপিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

মার্চ ৬, ২০১৮, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ 👉 এই সংবাদটি ১১৫ বার পড়া হয়েছে
বড়লেখা প্রতিনিধি : হাকালুকি হাওরের সর্ববৃহৎ মাছের ভান্ডার গুটাউরা হাওরখাল বদ্ধ জলমহাল থেকে অবৈধভাবে মাছ লুটেরাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে। ১৮ জানুয়ারী একটি দৈনিকপত্রিকায় ‘হাকালুকির ইজারাবিহীন জলমহালে প্রতিরাতে মাছ লুট’ শিরোনামে একটি সরেজমিন প্রতিবেদন ছাপা হলে জেলা প্রশাসনের টনক নড়ে। অবশেষে গত সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন হাওরখাল বিলে অভিযান চালিয়ে পাহারার নামে মাছ লুটের জন্য বিলের পারে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন।

এসময় প্রভাবশালী মহলের নিয়োজিত ১১ মৎস্যজীবিকে বিল থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।     ভ্রাম্যমান আদালত ও সরেজমিন সুত্রে জানা গেছে, হাকালুকি হাওরের ১৬শ’ একরের সর্ববৃহৎ জলমহাল গুটাউড়া হাওরখাল (বদ্ধ) জলমহালটি ইজারাবিহীন রয়েছে। উচ্চ আদলতে এ সংক্রান্ত মামলা চলমান অবস্থায় প্রভাবশালী ফেঞ্চুগঞ্জের নুরুল ইসলাম, মিছবা চৌধুরী, আব্দুল জলিল, রজাই মিয়া, ছামি চৌধুরী প্রমূখ বিল পাহারার নামে বিলের পাড়ে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে ২০-২৫ জন জেলেকে দিয়ে প্রতিরাতে লাখ লাখ মাছ লুট করছেন। গত সোমবার বড়লেখা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জেলা প্রশাসকের নির্দেশে হাওরখাল বদ্ধ বিলে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

এসময় উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন, থানার এসআই রুবেল আহমদ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। ভ্রাম্যমান আদালত বিলে কখিত পাহারায় নিয়োজিত জেলে আলী হোসেন, জহির উদ্দিন, শামীম আমহদ, তোফায়েল ইসলাম, ফয়সল আহমদ, ভুষণ মিয়া, ইকবাল হোসেন, বিলাল মিয়া, ইলিয়াছ আলী, রফিক মিয়া প্রমুখকে আটক করেন। তারা আদালতকে জানায় জনৈক শুক্কুর মিয়া তাদেরকে বিল পাহারায় নিয়োজিত করলেও ফেঞ্চুগঞ্জের নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান, রজাই মিয়া, ছামি চৌধুরী প্রমুখ মুলত দেখভাল করছেন এবং তাদেরকে বেতন দেন। বিলটি তারা ইজারা এনেছেন জানিয়ে আমাদেরকে নিযুক্ত করেছেন।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন জানান, হাওরখাল বিলটি ইজারা বিহীন। অবৈধভাবে মাছ আহরনের খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে বিলের পারে অবৈধভাবে নির্মিত বাসা অপসারণ করেছেন। মুল হোতাদের পাওয়া যায়নি। কয়েকজন ১১ জেলেকে পেয়ে তাদেরকে সতর্ক করে বিল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন।

loading...
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা আংশিক নকল করে বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
%d bloggers like this: