প্রস্তুতি সম্পন্ন, কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে শুরু হচ্ছে কুটির শিল্প ও বস্ত্র মেলা

এপ্রিল ২৪, ২০১৮, ৮:২৭ অপরাহ্ণ 👉 এই সংবাদটি ২২২ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ কুলাউড়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে চলতি সপ্তাহে শুরু হচ্ছে কুটির শিল্প ও বস্ত্র মেলা। ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রস্তুতি। মেলার দোকানদাররা এখন রকমারি কাপড়-চোপড়, মালামাল দিয়ে স্টল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বিনোদন বঞ্চিত কুলাউায় দীর্ঘদিন পর বাণিজ্য মেলার আয়োজন করায় সাধারণ মানুষের মাঝেও বিরাজ করছে ব্যাপক আনন্দ। মেলায় শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে খেলনার ট্রেন, দোলনা, বাহারি রংয়ের পানির ফোয়ারা, নাগরদোলা, ঝুলন্ত নৌকাসহ নানা খেলাধুলা সামগ্রি।
সরেজমিনে মেলার মাঠ ঘুরে দেখা যায়, ইতিমধ্যে মেলার ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মেলার প্রবেশদ্বারে তৈরি করা হয়েছে নান্দনিক গেইট। মাঠে ক্রেতা ও শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা খেলনার ট্রেন, দোলনা, বাহারি রংয়ের পানির ফোয়ারা, নাগরদোলা, ঝুলন্ত নৌকাসহ নানা খেলাধুলা সামগ্রি। সন্ধ্যায় নানা রঙের বৈদ্যুতিক আলোয় ঝলমল করে মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় থাকবে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন ব্যন্ডের কাপড়, জুতা, প্রসাধনি সামগ্রি, শিশুদের খেলনাসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।
মেলার আয়োজনকারী সংগঠন নন্দন সামাজিক ক্রীড়া সংগঠনের বোর্ড চেয়ারম্যান এম. মছব্বির আলী শুক্রবার রাতে কুলাউড়ার এক অভিজাত রেষ্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, মেলার আইনী প্রক্রিয়ার কাজ চূড়ান্তপর্যায়ে। জেলা প্রশাসকের আনুমতিপত্র হাতে পেলেই আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন করবো। এ লক্ষে শতভাগ প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
দীর্ঘদিন থেকে কুলাউড়ায় কোন মেলা হচ্ছে। আর কুলাউড়ার মানুষের বিনোদনের জন্য কোন বিনোদন কেন্দ্র নাই। তাই একঘেঁয়ে জীবনের মাঝে বৈচিত্র আনতেই আমাদের এ আয়োজন। মেলায় তাঁত বস্ত্র ও কুটির শিল্পের স্টলসহ বিভিন্ন প্রকারের শতাধিক স্টল। রয়েছে বিনোদনের ব্যবস্থা। মেলায় আগত মানুষের নিরাপত্তার জন্য পুলিশপ্রশাসনের পাশাপাশি থাকবে নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী। মেলাকে ঘিরে যাতে কোন অনৈতিক কর্মকান্ড না ঘটে সেদিকেও আমরা সজাগ থাকবো। সুষ্টুভাবে মেলা সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগীতাও চান তিনি।
মেলার প্রস্তুতি দেখতে আসা কর্মধা ইউনিয়নের আশরাফ সিদ্দিকী, আব্দুর রহিম, ভুকশিইল গ্রামের আজির উদ্দিন, সাব্বির আহমদ মুরশেদ, ভাটেরা আবু হাসান জানান, কুলাউড়ায় তেমন কোনো বিনোদনের স্থান নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে বের হওয়ার মতো কোনো পরিবেশও নেই। ছেলেমেয়ে নিয়ে বাড়িতেই বসে থাকতে হয়। শিশুদের মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে এ মেলার মতো বছরে আরও দু-তিনটি মেলা আয়োজন করা জরুরি। আর এ মেলায় শিশুদের প্রাধান্য দিয়ে অনেক বিনোদন সামগ্রিও আনা হয়েছে। কুলাউড়ায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রকার বিনোদনের ব্যবস্থা না থাকায় এই তাঁত বস্ত্র ও কুটির শিল্প মেলা দর্শনার্থীদের মাঝে সাড়া ফেলবে বলে মনে করছি। আর মেলা থেকে সাধ্যনুযায়ী বাহারি কাপড়-চোপড় আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রও কিনা যাবে।

loading...
error: এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা আংশিক নকল করে বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
%d bloggers like this: